বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, এর আগে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশন গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে দ্বিগুণের বেশি পানির বিল বাড়ানোর বিষয়টি জানায়। এরপর থেকে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নগরবাসী নানা কর্মসূচি পালন করেন। মেয়রের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সিটি করপোরেশনের মাসিক সভায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে পানির বিল পুনর্নির্ধারিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ হতে জানানো হয়, প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের ২০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৪০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা বিল নির্ধারণ করা হয়েছিল। পুনর্নির্ধারিত বিলে সেটা কমিয়ে যথাক্রমে ৩০০ টাকা ও ৭০০ টাকা করা হয়েছে।

পৌনে এক ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ৪০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি গ্রাহকদের জন্য ৭০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ২০০ টাকা বিল নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন পুনর্নির্ধারিত বিলে সেটা যথাক্রমে ৬০০ টাকা এবং ১ হাজার ১০০ টাকা করা হয়েছে।

এক ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে আবাসিক ও সরকারি গ্রাহকদের জন্য ১ হাজার টাকার পরিবর্তে দেড় হাজার টাকা, বাণিজ্যিক গ্রাহকদের দেড় হাজার টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ২০০ টাকা, প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকদের ২ হাজার টাকার পরিবর্তে ৩ হাজার টাকা বিল নির্ধারণ করা হয়। এখন এ বিল পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার টাকা, ২ হাজার ৫০০ টাকা।

মেয়র আরিফুল আরও বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়ে পানির বিল মওকুফ করা হয়েছে। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থানের পানির বিল আগে থেকেই মওকুফ করা আছে। তবে ভবিষ্যতে পানির বিলের জন্য ডিজিটাল মিটার স্থাপন করবে সিটি করপোরেশন। যে মাসগুলোতে পানির বিল বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেসবও সমন্বয় করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলররা, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব ও সিলেট প্রেসক্লাবের নেতারা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন