বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা ইটভাটা মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৫০টির মতো ইটভাটা আছে। এসব ভাটার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের উৎপাদনের অনুমতিপত্র নেই।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের বাইনটকি এলাকায় প্রমত্তা বিষখালী নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা আল মামুন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ইটভাটায় নদীতীরের মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। নদীর তীর থেকে মাটি কাটার কারণে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নদীভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে।

হরিদ্রাবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মতি খান বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। নদীর তীর থেকে মাটি কাটার প্রতিবাদ করলে আমাদের সমস্যা করে। নদীর তীর থেকে বাঁধের দূরত্ব খুব কাছে। সে জায়গাটি ভাঙনকবলিত। আর ভাটামালিকেরা যেভাবে নদীর তীর থেকে মাটি কেটে নিচ্ছেন, তাতে ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়ে যাবে।’

একই এলাকার বাসিন্দা জোবিরুল ইসলাম বলেন, ‘নদী তো সরকারি, নদীর তীরও সরকারি। আমরা প্রতিবাদ করলে তারা বলে, আমাদের ব্যক্তিগত জমিতে মাটি কাটছি, তোমাদের কী?’

আল মামুন এন্টারপ্রাইজ ব্রিকসের ম্যানেজার আল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের আরও দুই-এক দিন মাটি কাটতে হবে। তিন-চার বছর আগে আমরা এই জমি (নদীর চর) কিনে রেখেছি, এখন জমি থেকে মাটি কেটে নিচ্ছি। এখানে নদী বা সরকারি কোনো জমি নেই।’

পাথরঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘নদীর তীর থেকে মাটি কেটে নেওয়া ভাটামালিকদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন