স্থানীয় সূত্র জানায়, বাঁধের ওপর নির্মিত সড়ক দিয়ে মাইজবাড়ী, কোনাবাড়ী সাতপোয়া, খাগুড়িয়া, দিয়ারকৃষ্ণাই, বালিয়া, বলারদিয়ার, ধোপাদহ, চরপাড়া—এই আট গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করত। কিন্তু সড়কের কিছু অংশ ভেঙে যাওয়ায় তাদের এখন উপজেলা শহরে যাতায়াত করতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। সড়ক ভেঙে যাওয়ায় সাতপোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে আসা–যাওয়া করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সড়কে লোকজন ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আগামী বর্ষার আগে বাঁধ সংস্কার করা না হলে নয়টি গ্রাম, সাতপোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিষাবাড়ী রেলস্টেশন, উপজেলা পরিষদসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়বে।

বলারদিয়ার গ্রামের ওয়াজেদ আলী (৫৮) বলেন, ‘ঝিনাই নদের ভাঙনে সড়ক বিলীন হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতে আমাদের কষ্ট হয়। আমাদের এখন তিন কিলোমিটার ঘুইরে সদরে কাজ করতে যাওন লাগে।’

সাতপোয়া গ্রামের নইম উদ্দিন বলেন, সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সারবিন নাহার বলেন, বাঁধটি সংস্কার করা না হলে বিদ্যালয়টি নদে চলে যাবে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শরাফত আলী বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে বাঁধ মেরামত করা না হলে নয়টি গ্রাম, সাতপোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিষাবাড়ী রেলস্টেশন, উপজেলা পরিষদসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়বে।

পাউবোর জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, বাঁধ সংস্কারের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাউবোর প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প পাস হয়ে এলেই কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপমা ফারিসা বলেন, সড়ক বাঁধ মেরামত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন