বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৮ আগস্ট প্রবল বৃষ্টির কারণে সড়কের কিছু অংশে ধস শুরু হয়। তার পর থেকে ক্রমাগত ধসে পড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে জ্ঞানদিয়া, ভাষাণচর, লক্ষ্মীদাসের হাট, গোপালপুর, বৈঠাখালী, চর জ্ঞানদিয়াসহ অন্তত ১০টি এলাকার মানুষ রিকশা, ভ্যান, মাইক্রোবাস, ইজিবাইক, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে চলাচল করে। কিন্তু সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কারণে হেঁটে ও ঝুঁকি নিয়ে রিকশায় চলাচল করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। আর কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।

ওই এলাকার বাসিন্দা শিক্ষার্থী অম্লান দত্ত বলেন, দেড়–দুই বছর ধরে ড্রেজার দিয়ে সড়ক ঘেঁষে কুমার নদ থেকে মাটি ও বালু তোলা হয়েছে। এ মাটি তুলে প্রতিবেশী জীবন কুমার দাস তাঁর বাড়ির পুকুর ভরেছেন, আশপাশের লোকেরাও মাটি ভরাটকাজে ব্যবহার করেছেন। এ জন্যই মারাত্মক ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সড়ক দিয়ে চলাচলকারী অটোচালক জ্ঞানদিয়া এলাকার কামাল শেখ (২১) জানান, সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় তাঁকে মহিম স্কুলের সামনে দিয়ে অন্তত ১০ কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরে বাড়িতে যেতে হয়। তিনি বলেন, ‘বড় বিপদে পড়েছি। এতে সময়, বিদ্যুৎ দুটোরই অপচয় হচ্ছে।’

স্থানীয় গৃহবধূ জবা দত্ত (৪০) বলেন, ‘রাতে ভয়ে থাকতে হয়। কখন সব ভাইঙ্গাচুইড়া নদের ভিতর চইলা যায়, সে ভয়ে দুই চোখের পাতা এক করতে পারি না।’

খননযন্ত্র দিয়ে নদ থেকে বালু তুলে পুকুর ভরাটের কথা স্বীকার করে জীবন কুমার দাস বলেন, ‘এসব কথা আবার পত্রিকায় লেইখেন না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন আইসা মাইপা নিয়া গেছে, তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।’

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম সাহা জানান, যেভাবে ভাঙন ধরেছে, তাতে সড়কটি মেরামতের সুযোগ নেই। অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার জন্য এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন