বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে নদ থেকে বালু উত্তোলন শুরু হয়। সকাল ১০টার দিকে বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলাল উদ্দিন বিদ্যালয়ে এসে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের শব্দ শুনতে পান। এ সময় নদের পাড়ে গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দৃশ্য দেখতে পেয়ে তিনি ইউএনওকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। পরে ইউএনওর নির্দেশে আলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে আরও ৫–৬ জন শিক্ষক ও ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী সমবেত হয়ে বালু উত্তোলনের কাজটি বন্ধ করে দেন।

মাঈন উদ্দিন বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে দরপত্রের মাধ্যমে বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়টির ছাত্রাবাস নির্মাণের কাজ পেয়েছেন তিনি। যেখানে ভবন নির্মাণ করা হবে, সেই স্থান একটু নিচু। তাই স্থানটি ভরাট করার জন্য মনাই নদে একটি ড্রেজার মেশিন বসিয়েছেন।

প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওই ঠিকাদার বলেন, ‘আমি এ নিয়ে ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি বিদ্যালয়ের অনেকটা দূর থেকে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছিল। মনে হয় এই দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রয়েছে। তাই বালু উত্তোলনকাজটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে বন্ধ করে দিয়েছেন। নদ থেকে যেভাবে বালু উত্তোলন করলে বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়টির কোনোরকম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেভাবেই বালু উত্তোলন করা হবে।’

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলাল উদ্দিন বলেন, ঠিকাদার মাঈন উদ্দিন মনাই নদে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন। এভাবে বালু উত্তোলন করলে তাঁদের বিদ্যালয়ের ভবনগুলো ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। এ জন্য শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের নিয়ে বালু উত্তোলনের কাজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও মুনতাসির হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মনাই নদ থেকে বালু উত্তোলন নিয়ে ওই ঠিকাদার তাঁর সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। প্রশাসনেরও কোনো অনুমতি নেননি। নদে ড্রেজার বসিয়ে যেনতেনভাবে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন