বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল ইসলাম। সে সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, দোনারচর ২০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সিনথিয়া তাছমিন প্রমুখ। সিলগালা করার আগে হাসপাতালটিতে ভর্তি থাকা রোগীদের পাশের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, খিদমা ডিজিটাল হসপিটালে তাছলিমা আক্তার (২৪) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ১ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ২ সেপ্টেম্বর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের পরামর্শ দেয়। তাছলিমা তখন জানান, তিনি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা করে নয় মাসের কথা জানায়।

এ অবস্থায় তাছলিমা ৪ সেপ্টেম্বর ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিন সন্ধ্যার পর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু নবজাতকের প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তাৎক্ষণিক তাছলিমা ও তাঁর নবজাতককে ঢাকার মাতুয়াইল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়ে দেন, নবজাত অনেক আগেই মারা গেছে।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী জামাল হোসেন ৫ সেপ্টেম্বর দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় গতকাল কুমিল্লার আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন হাসপাতালের মালিক দেওয়ান মো. সাইফুল ইসলাম।

এদিকে গৃহবধূ তাছলিমা আক্তারকে গত রোববার বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও হাবিবুর রহমান বলেন, গৃহবধূ তাছলিমা শঙ্কামুক্ত। নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন