বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, গত রোববার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ইশিবপুর ইউপি নির্বাচনের ভোট চলাকালে গাংকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ মোল্লার লোকজন জালভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ খবর শুনে গোলাম রাব্বানী সেখানে যান। এ সময় মোশারফ মোল্লাসহ তাঁর ছেলে সোহেল মোল্লা তাঁর ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে গোলাম রাব্বানীকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় রাব্বানীর ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে যায়। এতে রাব্বানীর আরও দুই কর্মী আহত হন।

জানা গেছে, ইশিবপুর ইউপি নির্বাচনে রাব্বানীর মামা সালাহউদ্দিন চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রাব্বানীর বাবা এম এ রশীদ আজাদ সোমবার রাতে রাজৈর থানায় মামলা করেন। ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে ওই মামলার আসামির করা হয়। মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালিয়ে ইশিবপুর ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোশারফ মোল্লার ছেলে ও মামলার প্রধান আসামি সোহেল মোল্লা (২৮) এবং একই এলাকার ছালাম হাওলাদারের ছেলে জহিরুল মাতুব্বরকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বাদী ও গোলাম রাব্বানীর বাবা এম এ রশীদ আজাদ অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলার হামলার ঘটনার মূল হোতা মোশারফ মোল্লার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিনেই রাজৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করি। অথচ তার এক দিন পর মোশারফ মোল্লার নাম বাদ দিয়ে মামলা গ্রহণ করে। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। পরে চেয়ারম্যানের ছেলেকে প্রধান আসামি করে মামলা নেয় পুলিশ। আমি আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাই।’

এ সম্পর্কে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনের পর কয়েক স্থানে হামলা ভাঙচুরের হওয়ায় মামলাটি রেকর্ড করতে সময় লেগেছে। এ মামলায় বিজয়ী চেয়ারম্যানের ছেলেসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য ব্যক্তিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় যাঁরা প্রকৃত দোষী, তাঁদেরই আসামি করা হয়েছে, নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি করা ঠিক হবে না। তাই চেয়ারম্যান মোশারফ মোল্লার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন