বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ প্রথম আলোকে জানান, নিহত এরশাদুলের ছোট ভাই আক্তারুজ্জামান ১৫ জনকে আসামি করে ওই মামলা করেন।একই ঘটনায় দুজন খুন হয়েছেন। তাই একটি মামলায় দুটি খুনের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় খুনের জন্য নতুন করে মামলার প্রয়োজন নেই। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে কারও নাম-পরিচয় বলা যাচ্ছে না। ঘটনার পরপর আটক যুবককে (৩৩) এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৭ দশমিক ৬৫ মিলিমিটার (এমএম) বোরের পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এরশাদুলের চাচাতো ভাই সাইদুল্লাহ মিয়ার হত্যা মামলার বাদী হওয়া ও জনপ্রিয়তার জেরেই আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী এরশাদুলসহ দুজনকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির চারটি খোসা উদ্ধার এবং গতকাল ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজন আটক করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার রাত নয়টার দিকে নাটঘর ইউপিতে চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে উপজেলার কুড়িঘর বাজারের পাশে ওয়াজ মাহফিলে দোয়া চাইতে যান এরশাদুল। সবার কাছে দোয়া চেয়ে মোটরসাইকেলে বাদলের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হন এরশাদুল। কুড়িঘর গ্রামে মহেশ সড়কে দুর্বৃত্তরা প্রথমেই বাদলকে মাথায় এবং পরে এরশাদুলকে গুলি করে। বাদল ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দিন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এরশাদুল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন