গতকাল রাতে এ নিয়ে তিন ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এই বাগ্‌বিতণ্ডা কিছুক্ষণের মধ্যেই হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উত্তেজনার একপর্যায়ে মাসুম ও মোতালেব লাঠি নিয়ে শফিকুলের ওপর চড়াও হন। তাঁরা শফিকুলের সারা শরীরে উপর্যুপরি পেটান। একসময় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তাঁদের ছোট ভাই শফিকুল। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হলে ওই দুই ভাই পালিয়ে যান।

আজ সকালে এই ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শতাধিক লোক ওই বাড়িতে জড়ো হন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনাস্থলে এসে রায়পুরা থানা-পুলিশে খবর দেন। সকাল ৯টার দিকে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাইরমারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাড়ির বিদ্যুতের মিটার কেটে নিয়ে যাওয়া ও তাঁদের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া নিয়ে ছোট ভাই শফিকুলের ওপর বড় দুই ভাই মাসুম ও মোতালেব ক্ষুব্ধ ছিলেন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই গতকাল রাতে দুই ভাই মিলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শফিকুলকে হত্যা করেন। ঘটনার পর থেকেই তাঁরা পলাতক।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি পিটিয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁরই বড় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নিহত ওই যুবকের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন