বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার দিকে রায়পুরার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি, সোবহানপুর ও বটতলীকান্দি এলাকায় পৃথক সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন বালুয়াকান্দি এলাকার মো. হেকিম মিয়ার ছেলে মো. সালাউদ্দিন মিয়া (৩০), সোবহানপুর এলাকার মো. আবদুল হকের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হক (২৬) ও বটতলীকান্দি এলাকার মো. সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. দুলাল মিয়া (৩০)। ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও আতঙ্ক সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

মামলার বাদী ও নিহত জাহাঙ্গীরের মা মিনা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিলেন। ৫ মাস আগে তিনি দেশে ফিরে সোবহানপুর বাজারে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। নির্বাচনের দিন ভোরে নৌকার প্রার্থী আশরাফুলের নির্দেশে আমির হোসেন মেম্বার জাহাঙ্গীরকে গুলি করে হত্যা করেছেন। গুলি করার সময় তাঁরা ৬০-৭০ জন ছিলেন। তিনি ছেলে হত্যার বিচার চান।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. আশরাফুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেন এই প্রতিবেদক। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

রায়পুরা থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান বলেন, সহিংসতার ঘটনায় সোমবার দুপুর পর্যন্ত বাঁশগাড়ী এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুটি পাইপগান, তিনটি কার্তুজ, দুটি ছোরা ও বিপুল পরিমাণ টেঁটা উদ্ধার করেছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অন্যজন পলাতক।

এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নির্বাচনী সহিংসতায় নরসিংদী সদরের আলোকবালী ও রায়পুরার পাড়াতলী ইউনিয়নে ৬ জনের মৃত্যু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন