নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা লোপা চৌধুরী জানান, সুজিত সূত্রধরকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর গলা ও মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়েছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত সুজিতের ছেলে সুজনের অভিযোগ, ‘ইউসুফ চেয়ারম্যানের নামে মামলা করার কারণে আমার বাবাকে প্রায়ই হুমকি–ধামকি দেওয়া হতো। আগেও কয়েক দফা বাবাকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ খান, তাঁর ভাই মনির ও ইউপি সদস্য বদুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এলাকায় গিয়েও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে কথা বলে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম জেনেছেন তাঁরা। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন