বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত তিন ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এখনো ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ভোরে আলোকবালী ইউনিয়নের নেকজানপুর গ্রামে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন সরকার ও বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আসাদুল্লাহর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে আলোকবালী ইউনিয়নের নেকজানপুর গ্রামের মো. আশরাফুল (২০), আমির হোসেন (৫০) ও খোরশেদা বেগম (৫৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ জন গুলি ও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তিনজনই দেলোয়ার হোসেন সরকারের কর্মী-সমর্থক।

নরসিংদীতে ইউপি নির্বাচন ঘিরে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩মামলার বাদী মো. স্বপন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, নিহত তিনজনই তাঁর স্বজন। এ জন্য তিনি এ মামলার বাদী হয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুল্লাহর নির্দেশেই ওই হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনার চার দিন পর মামলা করার বিষয়ে স্বপন মিয়া জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাঁদের মামলা করতে দেরি হয়েছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই ইউনিয়নে একটা অভিযান চালানো হচ্ছে। সেখানে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটা অস্থায়ী ক্যাম্পও করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার কর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন