বিজ্ঞাপন

পরে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের খাদ্যসহায়তা দেন। ঈদের আগে এই সহায়তা পেয়ে শান্ত হন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ওই ব্যক্তিদের নগদ অর্থ সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল। বরাদ্দের অর্থ না পাওয়ায় তাঁরা উপজেলা চত্বরে এসে ক্ষোভ দেখান।

ক্ষোভ দেখানো ব্যক্তিদের একজন পারুল বেগম বলেন, ‘আমি অসহায় দিনমজুর। করোনার কারণে কাজও করতে পারছি না। খুবই কষ্টে আছি। আমার পরিবারে চারজন রয়েছেন। নিত্যদিনের খাবার জোগাড় করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ উপহারের ৪৫০ টাকা পাইনি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিক হাওলাদার বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের স্লিপ বিতরণ করিনি। স্লিপ বিতরণ করেছেন আমাদের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ আকন। তিনিই বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন।’

ইউএনও রুম্পা সিকদার বলেন, ‘উপজেলা চত্বরে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের কথা আমি শুনেছি। তাঁরা কোনো ত্রাণ পাননি বলে আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। আমি তাঁদের একটি তালিকা করে পৌরসভার মেয়রের কাছে জমা দেওয়ার জন্য বলেছি। পাশাপাশি ওই নারীদের খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন