ভূরাখালি গ্রামের বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এ জায়গায় সঠিকভাবে বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় বাঁধের দুই পাশের মাটি সরে গেছে।

হাওরবেষ্টিত চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন রশীদ বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সঙ্গে আশপাশের কয়েক গ্রামের কৃষক স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করে ধসে যাওয়া বাঁধটি রক্ষা করেন। এ ছাড়া এক সপ্তাহ ধরে স্থানীয় ব্যক্তিরা নলুয়ার হাওরের কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ রক্ষায় কাজ করেছেন।

হাওর বাঁচাও আন্দোলনের জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফুর রহমান বলেন, গত এক সপ্তাহে ১০টি ফসল রক্ষা বাঁধ ধসের ঘটনা ঘটেছে। কৃষকেরা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করে বাঁধগুলো রক্ষা করছেন। শুরুতে দায়সারা কাজ করায় হুমকির মুখে পড়েছে ফসল।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আহমেদ আলী বলেন, ১৫ লাখ টাকার প্রকল্পে এখন পর্যন্ত বিল পেয়েছেন ৭ লাখ। ধার আর অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে বাঁধে সঠিকভাবে কাজ করা হয়েছে। বাঁধটি টেকসই করতে বস্তা, বাঁশ লাগিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন