জানতে চাইলে স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডের কুমিল্লা ডিপোর ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকর্তা মো. তাওহিদুর রহমান রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে অন্তত ২৫টি নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসের সিলিন্ডার লাগে। জুন মাসে ১৬টি সিলিন্ডার সরবরাহ করেছি আমরা। জুলাই মাসে দুটি এবং আগস্ট মাসে ছয়টি দিয়েছি। করোনাকালে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনতে না পারায় সংকট দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট থাকবে না।’

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ বিশিষ্ট চিকিৎসক আরিফ মোর্শেদ খান বলেন, নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাস নিয়ে মাসের পর মাস যে ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, তা নিয়ে সবাই নির্বিকার। মাঝেমধ্যে কিছু গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর দু-এক দিন পর সেটি নাই হয়ে যায়। যাঁরা জরুরি রোগীকে অস্ত্রোপচার না করিয়ে বা অপেক্ষায় রাখেন, তাঁদের জন্য চিকিৎসকদের বদনাম হচ্ছে। গত ২৩ ও ২৫ আগস্ট নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসের কারণে অস্ত্রোপচার করা যায়নি। এটা রোগীদের সঙ্গে একধরনের অন্যায়। এভাবে একটা সরকারি হাসপাতাল চলতে পারে না। গরিব মানুষকে সেবা দিতে না পারলে বদনাম হয় চিকিৎসকদের।

অস্ত্রোপচার বন্ধের বিষয়টি নাকচ করে হাসপাতালের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন বলেন, দু-এক দিনের মধ্যে নাইট্রাস অক্সাইডের স্বল্পতা থাকবে না। ওই গ্যাস ছাড়াও অস্ত্রোপচার করা যায়। অস্ত্রোপচার তো বিভিন্ন ধরনের হয়, সেটি তো বন্ধ নাই। গ্যাসসংকটের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন