পুলিশ ও মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে মোহনা ঘরের একটি কক্ষে একা পড়ছিল। এ সময় উপজেলার বাঘাজোড়া গ্রামের হান্নান গাজীর ছেলে জিসান গাজী (২২) হঠাৎ ঘরে ঢুকে মোমবাতির আগুন দিয়ে মোহনার পোশাকে আগুন ধরিয়ে দেন। মোহনার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভান। ততক্ষণে আগুনে মোহনার শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মোহনাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

জিসান গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে মোহনার বাড়িতে গিয়ে তাকে একা পেয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

মোহনার বাবা মো. কাইয়ুম শেখ অভিযোগ করেন, জিসান গাজীর সঙ্গে মোহনার এক বান্ধবীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। মোহনা তার বান্ধবীকে এ প্রেম করতে নিষেধ করে। পরে প্রেমের বিষয়টি ওই বান্ধবীর পরিবারে জানাজানি হয়। এতে ওই বান্ধবী মোহনার নামে জিসান গাজীর কাছে নালিশ করে। এতে জিসান গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে মোহনার বাড়িতে গিয়ে তাকে একা পেয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপান্বীতা দেবনাথ বলেন, আগুনে মোহনার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনাটি শুনে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জিসান গাজী ঘটনার পর পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন