default-image

পিরোজপুরের নাজিরপুরে গাছ থেকে নারকেল পাড়া নিয়ে ঝগড়ার জেরে ছোট ভাই ও তাঁর ছেলেদের হামলায় বড় ভাই মো. মহাসিন মোল্লা (৫০) নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত মহাসিন মোল্লা উপজেলার বাকসি গ্রামের মৃত হাশেম মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় অটোরাইস মিলের কর্মচারী।

আজ সকাল আটটার দিকে মহাসিন মোল্লা তাঁর পৈতৃক জমিতে থাকা নারকেলগাছ থেকে নারিকেল পাড়ছিলেন। এ সময় ছোট ভাই রুস্তম মোল্লা বড় ভাই মহাসিন মোল্লাকে নারকেল পাড়তে বাধা দেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আটটার দিকে মহাসিন মোল্লা তাঁর পৈতৃক জমিতে থাকা নারকেলগাছ থেকে নারিকেল পাড়ছিলেন। এ সময় ছোট ভাই রুস্তম মোল্লা বড় ভাই মহাসিন মোল্লাকে নারকেল পাড়তে বাধা দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রুস্তম মোল্লা ও তাঁর ছেলেরা মহাসিন মোল্লাকে মারপিট করেন। একপর্যায়ে তাঁরা লাঠি দিয়ে মহাসিন মোল্লার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।

বিজ্ঞাপন
মহাসিন মোল্লার মাথায় আঘাতের কারণে নাক ও মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ইসরাত জাহান, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক

পুলিশ জানায়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে থানা-পুলিশ নিহতের ভাইয়ের ছেলে রসুল মোল্লা ও রিয়াজ মোল্লাকে আটক করেছে।

নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসরাত জাহান বলেন, মহাসিন মোল্লার মাথায় আঘাতের কারণে নাক ও মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুজ্জামান সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে হামলার জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন