সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সকাল সাড়ে সাতটায় নাজিরপুর ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীরা পুষ্পস্তবক নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় নাজিরপুর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সমাজকল্যাণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলামকে পুলিশ চড়থাপ্পড় মারে। আমরা সংঘাত এড়ানোর জন্য উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না গিয়ে নাজিরপুর ডিগ্রি কলেজের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলাম। তারপরও আমাদের পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।’

আমরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে না পেরে সেই পুষ্পস্তবক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জাতির কাছে বিচার দিলাম।
নজরুল ইসলাম খান, সভাপতি, নাজিরপুর উপজেলা বিএনপি

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী নয়। তারা কেন আমাদের ফুল দিতে বাধা দেবে? আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নেবে? অথচ আজকের এই মহান দিবসে আমাদের ছাত্রনেতাদের শহীদ মিনারে লাঞ্ছিত করেছে পুলিশ।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপিকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পুলিশের বাধার দেওয়া প্রমাণ করে, এ দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। তাই আমরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে না পেরে সেই পুষ্পস্তবক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জাতির কাছে বিচার দিলাম।’

এ সময় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম, শ্রীরামকাঠি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মোল্লা, মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের সভাপতি সরদার সাফায়েত হোসেন, শেখমাটিয়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, শাখারীকাঠি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হ‌ুমায়ূন কবির বলেন, বিএনপির অভিযোগ অসত্য। তাঁদের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে বাধা দেওয়া হয়নি। কী কারণে তাঁরা এ অভিযোগ করলেন, তা তিনি বলতে পারছেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন