মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা একটার দিকে শিশুটি প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় তরাক মজুমদার ওই শিশুকে লিচু খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে যান। এরপর একটি ঘরে নিয়ে তরাক মজুমদার ওই শিশুর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ওই শিশুর চিৎকার করলে তরাক মজুমদার পালিয়ে যান।

পরে ওই শিশুর মা শিশুটিকে প্রথমে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর পিরোজপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর আজ বিকেলে শিশুর মা থানায় মামলা করেন।

নাজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক দ্বীপান্বিতা দেবনাথ বলেন, ‘আট বছরের এক শিশুকে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল স্বজনেরা। আমরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। আমাদের হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার শিশুদের পরীক্ষা–নিরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকার কারণে তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পুলিশের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।’

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন