বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি সৈয়দপুরের গোলাহাট বধ্যভূমিতে মঞ্চায়িত ‘বধ্যভূমির শহরে’ নাটকে অনেক রাজাকারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেকের ভূমিকা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা নাটকটি নতুন করে মঞ্চায়নের দাবি জানান। অন্যথায় আরও বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানান তাঁরা।

১৯ ডিসেম্বর মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় সৈয়দপুরের গোলাহাট বধ্যভূমিতে নাটকটি মঞ্চায়িত হয়। এ নাটকে স্থানীয় তিন শতাধিক শিল্পী অভিনয় করেন।

জানতে চাইলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার এ কে এম আরিফউজ্জামান জানান, দেশের ৬৪ জেলার ৬৫টি বধ্যভূমিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও গণহত্যার ওপর নাটক মঞ্চায়ন হচ্ছে। ‘বধ্যভূমির শহরে’ নাটকে কোন ইতিহাস বিকৃত হলো, সেটা যদি নির্দিষ্ট করে জানানো হয়, তাহলে সেটি সংশোধনের সুযোগ অবশ্যই আছে। তবে ওই নাটকে শহীদদের অবদানকে খাটো করা হয়নি। কেননা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মহান শহীদেরা নিজ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে অবস্থান রেখেছেন। তাই কাউকে বড় করতে গিয়ে কাউকে ছোট করা সমীচীন হবে না।

এ বিষয়ে ‘বধ্যভূমির শহরে’ নাটকের পরিচালক দেবাশীষ ঘোষের বলেন, যথাযথ ইতিহাস অনুসন্ধান করেই ওই নাটকের স্ক্রিপ্ট লেখা হয়েছে। কারও অবদানকে ছোট করা হয়নি। এক ঘণ্টার নাটকে অনেক কিছু বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও নাটক হতে পারে। এ জন্য সবার সহযোগিতা আশা করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন