বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে সামসুজ্জোহা ইউনিয়নের ধানাইদহ বাজারে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। সামসুজ্জোহার কর্মীদের অভিযোগ, উদ্বোধনের পর তাঁরা কার্যালয় ছাড়ার পরপরই নিলুফার ইয়াসমিনের ২০ থেকে ৩০ জন কর্মী-সমর্থক ওই কার্যালয়ে হামলা করেন। হামলাকারীরা কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। তবে নিলুফার ইয়াসমিনের সমর্থকদের অভিযোগ, ওই ঘটনার কিছুক্ষণ পর সামসুজ্জোহার কর্মী-সমর্থকেরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের মণ্ডল ও কর্মী মো. সুমনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।

ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী সামসুজ্জোহার ভাষ্য, ‘আগে থেকেই নৌকার প্রার্থী আমাকে ধানাইদহ বাজারে অফিস করতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন। এর জের ধরে আমি অফিস উদ্বোধনের পরপরই তাঁর কর্মীরা অফিসটি ভাঙচুর করেন। ঘটনাটি আমি পুলিশকে জানিয়েছি। প্রতিপক্ষ দায় এড়াতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার শুরু করেছে।’

নৌকার প্রার্থী নিলুফার ইয়াসমিনের ভাষ্য, ‘সাবেক সভাপতি আবদুল কাদেরসহ কর্মীদের নিয়ে নগরে প্রচার চালাচ্ছিলাম। পুলিশও ছিল। এই সুযোগে আবদুল কাদেরের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। আমার কর্মীরা ঘোড়ার অফিস ভাঙেননি। তাঁরা নিজেরাই ভেঙে আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।’

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত।
আগামী ১১ নভেম্বর এখানে নির্বাচন হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন