বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী ছাত্রীর নাম সানজিদা খাতুন (১৮)। তিনি সদর উপজেলার লালমনিপুর গ্রামের নুরুল ইসলামে মেয়ে এবং রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। নাটোর সদর থানা সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের রাস্তায় অ্যাসিড-সন্ত্রাসের শিকার হন সানজিদা। রাতেই তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আজ ভোরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। অ্যাসিডে তাঁর পুরো মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে।

ভুক্তভোগী সানজিদা খাতুন রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।

এই ঘটনার পরপরই পুলিশের চারটি দল অ্যাসিড নিক্ষেপকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে নামে। অবশেষে সোমবার সকালে পুলিশ অভিযুক্ত মাহিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। মাহিম অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে সানজিদা পুলিশকে জানিয়েছেন। দুপুরে মাহিম হোসেনকে আসামি করে অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনে মামলা করেন সানজিদার বাবা নুরুল ইসলাম। বিকেলে মাহিমকে নাটোর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, অ্যাসিড-সন্ত্রাসের শিকার ওই কলেজছাত্রীর বর্ণনা ধরেই পুলিশ মাহিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি এলাকার একজন চিহ্নিত বখাটে। প্রায় তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে সানজিদার বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু বখাটে মাহিমের কারণে ওই বিয়ে ভেঙে যায়। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের জের ধরেই মাহিম সানজিদাকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন