বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে এস এম মেহেদী হাসান লিখিত বক্তব্যে বলেন, শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় তাঁর একটি গুদামঘর রয়েছে। গুদামঘরের সামনের সরকারি জমিতে তিনি তাঁর পরিবহন ব্যবসার ট্রাক রাখেন। এ কারণে কানাইখালী মহল্লার তালহা চৌধুরী (৩৪) ও কান্দিভিটা মহল্লার মো. মৃদুল (২৫) তাঁর কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তাঁরা তাঁর গুদাম বন্ধ করে দেবেন এবং ট্রাক রাখতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। সর্বশেষ ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তাঁর কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাকু নিয়ে তেড়ে আসেন এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ওই দিনই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। আদালত থেকে ওই মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে গত সোমবার সন্ধ্যায় তাঁরা বাদীর বাড়িতে যান এবং মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। তিনি তাতে রাজি না হলে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাঁর গুদাম লুট করারও হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি তাঁর জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান আরও অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্য না করে পুলিশ অপেক্ষাকৃত হালকা ধারায় মামলাটি রেকর্ড করায় আসামিরা সহজেই জামিন পেয়েছেন। তাই জামিন পাওয়ার পরপরই তাঁরা বাদীকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

মামলার আসামি তালহা চৌধুরী জানান, অভিযোগকারীর গুদামের পাশে তাঁর মোটর যন্ত্রাংশের ব্যবসা আছে। অভিযোগকারী ট্রাক রেখে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় চাঁদা দাবি বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। আদালত সন্তুষ্ট হয়ে জামিন দিয়েছেন। জামিন পাওয়ার পর তাঁরা বাদীকে কিছুই বলেননি। অযথা তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন