বিজ্ঞাপন

এর আগে সকাল ১০টায় নাফিউলকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর। এ কারণে পুলিশ গুরুত্বসহকারে মামলাটি তদন্ত করছে। মামলা করার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই পুলিশের ছয়টি দল শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামি নাফিউলকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামি স্থানীয় সাংসদ শফিকুল ইসলামের ভাগনে হলেও তাঁকে ছাড় দেওয়া হয়নি।

default-image

এদিকে ‘এলাকাবাসী’র ব্যানারে দুপুর সাড়ে ১২টায় স্থানীয় একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মলয় কুমার রায়, নাফিউলের চাচাতো ভাই মীর ইয়ামিনসহ ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু বাসিন্দা বক্তব্য দেন। বক্তারা নাফিউলের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন। তাঁরা নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানকে দুর্নীতিবাজ আখ্যায়িত করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন। প্রকৌশলীর কথিত দুর্নীতির ব্যাপারে কোনো প্রমাণ আছে কি না, জানতে চাইলে তাঁরা কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

গত সোমবার বিকেলে ঠিকাদার নাফিউল ইসলাম, তাঁর বাবা মীর আমিরুল ইসলাম ও তাঁদের ব্যবস্থাপক রাজীব হোসেন শহরের বড়গাছা এলাকায় নাটোর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যান। পাউবোর নির্মাণাধীন একটি ভবনে কার্যাদেশ মোতাবেক টাইলস লাগাতে বললে তাঁরা প্রকৌশলীর ওপর ক্ষিপ্ত হন। একপর্যায়ে প্রকৌশলীকে গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করেন নাফিউল। পাশাপাশি কিলঘুষি মারেন, নথিপত্র তছনছ ও ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতে প্রকৌশলী বাদী হয়ে মামলা করেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ নাফিউলকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

নাফিউল নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনের সাংসদ শফিকুল ইসলামের ভাগনে ও নাটোর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাবা ঠিকাদার আমিরুল ইসলাম জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন