হামলার পর আজ শুক্রবার সকালে নাবিলা পরিবহনের মালিক বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে আজ দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। সমিতির নেতারা ধারণা করছেন, আগামী ৫ মে অনুষ্ঠিতব্য সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত আটটার দিকে বাবুল আকতার, মজিবর রহমান ও আবদুর রশিদ সমিতির কার্যালয়ের দোতলা থেকে নিচতলায় নামছিলেন। এ সময় মুখোশধারী কয়েক সন্ত্রাসী হাতুড়ি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করে। পরে তাঁদের চিৎকারে সমিতির অন্য মালিক-কর্মচারীরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পর আজ সকালে মামলা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশ তাঁদের পরিচয় জানাতে অপারগতা জানিয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুল আক্তার বলেন, কিছুদিন আগেই সমিতির আগের পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের খোঁজখবর নিতে গতকাল সন্ধ্যায় তিনি সমিতির কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সমিতির দোতলায় কথাবার্তা শেষ করে তিনি ও অন্য দুই পরিবহনের মালিক সিঁড়ি বেয়ে নিচতলায় নামার সময় মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের হামলার চেষ্টা করেছেন।

আহত রাজকীয় পরিবহনের মালিক মজিবর রহমান বলেন, কমিটি ভেঙে দেওয়া ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হতে পারে। এ ঘটনায় তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জানতে চাইলে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আহমেদ বলেন, হামলার ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ সমিতির কার্যালয়ের ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে। মামলার অভিযোগ ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। হামলাকারীরা গা ঢাকা দিয়েছে। তাই এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে শিগগিরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন