বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টোরিয়া) নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়াই শুধু বাঁশের মাচা বেঁধে ওই ভবনে নির্মাণ কাজ করার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঘটনার পরপরই ওই ভবনের শ্রমিকেরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

নিহত জাহানারা বেগমের মামাতো ভাই জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া কীভাবে একটি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলে? যাদের অবহেলার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্মাণাধীন ওই ভবনের জমির মালিকের নাম তোতা মিয়া। তাঁর জমিতে আমান মিয়ার মালিকানাধীন সানরাইজ হাউজিং লিমিটেড ১১ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের কাজ করছে। জাহানারা বেগম নিহতের অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জমির মালিক তোতা মিয়া ও সানরাইজ হাউজিং লিমিটেডের মালিক আমানের মুঠোফোন নম্বরে একাধিবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ জামান প্রথম আলোকে বলেন, নিহত জাহানারার লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর পরিবার অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন