বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ আফজাল বর্তমানে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ছিলেন সাবেক রংপুর পৌরসভার পরপর দুবার চেয়ারম্যান। তাঁর ৮৬তম জন্মদিন উদ্‌যাপনের জন্য একটি উদ্‌যাপন পর্ষদ গঠন করা হয়। জন্মদিন উদ্‌যাপনের শুরুতে তাঁর ওপর নির্মিত ৩৭ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সেখানে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের খুঁটিনাটি উঠে আসে। পরে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষসহ রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠক, সাংস্কৃতিক সংগঠন একে একে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। মুহূর্তে ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় পুরো মঞ্চ। ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর সময় পুরো মিলনায়তনের উপস্থিত সুধীজন দাঁড়িয়ে করতালি দেন।

জন্মদিন উদ্‌যাপন পর্ষদের আহ্বায়ক জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠান হয়। এ সময় মঞ্চে ছিলেন তাঁর (আফজাল) ছোট ভাই রাজনীতিক আরশাদ হারুন ও কামরুন্নাহার ডানা। শুভেচ্ছা জানিয়ে স্মৃতিচারণা করেন অনেকেই। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক পৌরসভার দুই সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রউফ ও কাজী মো. জুননুন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও রেজাউল করিম। বিশিষ্ট চিকিৎসক জনতার রংপুর সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ মামুনুর রহমান, কারমাইকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া, মহিলা পরিষদের সভানেত্রী হাসনা চৌধুরী, সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি মোশফেকা রাজ্জাক প্রমুখ।

আলোচনা পর্ব শেষে মোহাম্মদ আফজাল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় মেট্রিক পাস করেছি। স্কুলজীবন থেকেই ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ১৯৫৭ সালে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হই। সেই শুরু থেকে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি করছি। এখনো ওই ধারার রাজনীতির সঙ্গে আছি। যত দিন বেঁচে থাকব, সুস্থধারার রাজনীতি করেই যাব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন