পিপি রকিব উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মেয়ে দুটি বাবার কাছে যেতে চাচ্ছে না। যেহেতু শিশুদের মা বিদেশে আছেন, সে কারণে আদালত শিশুদের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের নানি আকলিমা বেগমের জিম্মায় দিয়েছেন। বাবা ইদ্রিস আলী যেকোনো সময় মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, যোগাযোগও করতে পারবেন।

আদালতের এমন আদেশ মানতে পারেননি ইদ্রিস। আদালত প্রাঙ্গণেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মেয়েরা নানির কাছে থাকার সময় তাদের ভুল বোঝানো হয়েছে বলে দাবি করেন ইদ্রিস। বলেন, ছোট মেয়েটা যখন চলে আসে, তখন ওর বয়স সাড়ে তিন বছর। তার তো বাবার কথা মনে নেই। বড় মেয়েটাকেও তাঁর সম্পর্কে ভুল বোঝানো হয়েছে।

তবে শিশুদের নানি আকলিমা বেগম বলেন, ইদ্রিসের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে। তিনি শুনেছেন, বিচ্ছেদের পর ইদ্রিস আবার বিয়েও করেছেন। তা ছাড়া ইদ্রিস সারা দিন বাইরে কাজে থাকেন। শিশুদের যত্ন করার সময় সুযোগ পাবেন না। দুই নাতনি তাঁর কাছে থাকলেই ভালো থাকবে।

গত ২০ দিন ধরে নারায়ণগঞ্জ শহরে রিকশা চালিয়ে হারানো দুই মেয়েকে খুঁজছিলেন ইদ্রিস। এ নিয়ে ১৪ এপ্রিল ‘রিকশা চালিয়ে অলিগলি ঘুরছেন আর কাঁদছেন ইদ্রিস আলী’ শিরোনামে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপর একটি মুঠোফোন নম্বরের সূত্র ধরে ইদ্রিস আলীর দুই মেয়েকে খুঁজে বের করে রোববার আদালতে পাঠায় ফতুল্লা থানা–পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন