বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল রাতের হামলার ঘটনায় শহীদুল ইসলামের চাচাতো ভাই মো. শামীম ভূঁইয়া (৩২) ও মো. শাকিল ভূঁইয়া (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত দুজনকে প্রথমে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সোমবার সকালে শামীমকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আবদুল করিম ভূঁইয়ার পরিবারের ভাষ্য, নির্বাচনের সময় শামীম ও শাকিল তাঁদের চাচাতো ভাই শহীদুল ইসলামের পক্ষে প্রচারণা চালান। এতে নির্বাচনের অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কিছু সমর্থক শামীম ও শাকিলকে ফেসবুকে নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছিলেন বলে তাঁরা দাবি করেন।

আবদুল করিম ভূঁইয়ার পরিবারের চার নারী ও তিন পুরুষ সদস্য অভিযোগ করে বলেন, গতকাল মধ্যরাতে বাড়ির প্রধান দরজার তালা ভেঙে ১৬-১৭ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত বাড়ির ভেতরে ঢোকে। এরপর তারা প্রথমে শাকিলের কক্ষে ঢুকেই লেপের ওপর দিয়েই শাকিলকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় শাকিলের চিৎকার শুনে শামীম ছুটে এলে দুর্বত্তরা তাঁকেও কুপিয়ে জখম করে মেঝেতে ফেলে রাখে। এ সময় দুর্বত্তরা আলমারি ভেঙে নগদ ৬ লাখ টাকা ও ১০-১২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

default-image

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শহীদুলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রতন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাসিম আলীর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বলে মনে হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আটক দুজনের পরিচয় জানায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন