বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমির হামজা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার শাসনগাঁও এলাকার মামুনের মেসবাড়িতে ভাড়া থাকতেন। শ্রমিক হিসেবে চাকরি করতেন এম এস ডাইং নামের এক কারখানায়। পুলিশ জানিয়েছে, আমির হামজা টাঙ্গাইল সদরের আবদুল খালেকের ছেলে।

নিহতের লাশ মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত চটের বস্তায় ভরা অবস্থায় ছিল। হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো ছিল।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নিহতের লাশ মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত চটের বস্তায় ভরা অবস্থায় ছিল। হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো ছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও জানান, আমির হামজা তিন যাবৎ নিখোঁজ ছিলেন। এই ঘটনায় আজ সকালে নিহতের স্বজনেরা ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। দুপুরের স্বজনেরা তাঁর লাশ শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন