default-image

নারায়ণগঞ্জ জেলার সাতটি থানা ও তদন্ত কেন্দ্রসহ আটটি পুলিশ ফাঁড়িতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত এলএমজি নিরাপত্তা পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে যেকোনো ব্যক্তিকে তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে থানায়। একই  সঙ্গে পুলিশের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের আওতাধীন সব থানা, ফাঁড়ি, তদন্তকেন্দ্র ও স্থাপনাগুলোতে এলএমজি পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে জেলার সব থানা, পুলিশ ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে গুরুত্ব অনুসারে থানা, ফাঁড়ি ও তদন্তকেন্দ্রে এলএমজি এবং মেশিনগানসহ ভারী অস্ত্র বসিয়ে বালু বা সিমেন্টের বস্তা দিয়ে বিশেষ ধরনের প্রতিরোধ পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে পুলিশ সদস্যের সংখ্যা। এসব চৌকিতে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। ঝুঁকি বিবেচনা করে কিছু থানার ছাদে ও সামনের ফাঁকা স্থানে এ ধরনের চৌকি বসানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম প্রথম আলোকে জানান, সম্প্রতি সারা দেশে বিচ্ছিন্নভাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও সহিংস ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এসব কারণে পুলিশ সদর দপ্তর (হেড কোয়ার্টার) থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে থানাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে। পুলিশের নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সাধারণ জনগণের জান মাল হেফাজত করতে এবং যেকোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ প্রতিরোধ করতেই থানাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলার সব থানা, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রকে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চেকপোস্টে তল্লাশির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কেউ না মানলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন