বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ছয় রোগী বার্ন ইউনিটে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। তাঁদের চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বার্ন ইনস্টিটিউটে দুজন নারী চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁরা মা-মেয়ে। তাঁদের মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মেয়ে ঝুমা রানীর মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, হাসপাতালে এখনো ঝুমা রানীর মা তুলসী রানী (৫৫) চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে দুজন নারী চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁরা মা-মেয়ে। তাঁদের মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মেয়ে ঝুমা রানীর মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা প্রথম আলোকে বলেন, বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন তুলসী রানী ও ঝুমা রানীর পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আহত তুলসী রানীর চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

গত শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সেহাচর লাল খাঁ এলাকায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মুক্তার হোসেনের মালিকানাধীন পাঁচতলা বাড়ির নিচতলার দেয়াল উড়ে যায়। নিচতলার ফ্ল্যাটে আগুন ধরে আসবাব পুড়ে যায়। বিস্ফোরণে দেয়াল উড়ে গিয়ে পাশের দুটি সেমিপাকা টিনশেড বাড়ির ওপরে গিয়ে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলে মঙ্গল রানী ও মায়া রানী নামের দুজন পথচারীর মৃত্যু হয়। আহত হয় শিশুসহ আটজন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ও নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন