default-image

নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকায় তিনতলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় হাবিবুর রহমান (৪৩) গতকাল মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে এর আগে গত সোমবার হাবিবুরের স্ত্রী আলেয়া বেগমেরও (৪০) মৃত্যু হয়।

হাবিবুর ও আলেয়া দুজনই রাজধানীতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদিকে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন নিহত হাবিবুর রহমানের শাশুড়ি সামান্তা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা প্রথম আলোকে বলেন, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন হাবিবুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের লাশ দাফনের জন্য পরিবারকে সরকারিভাবে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

গত শুক্রবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লায় একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটে লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে একটি শিশুসহ দুটি পরিবারের ১১ জন দগ্ধ হয়। তাদের মধ্যে সাতজনকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধ পরিবারটির আত্মীয় মনতাজ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসাধীনদের মধ্যে হাবিবুর রহমানের শাশুড়ি সামান্তা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া হাবিবুর-আলেয়া দম্পতির ছেলে সামিউলের শরীরের ১০ শতাংশ, মেয়ে তাবাসসুম মীমের শরীরের ২৫ শতাংশ, মিমের ৩ মাস বয়সী ছেলে মাহিরার ২০ শতাংশ, লিমনের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। নিম্ন আয়ের পরিবারটির পক্ষে বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন