বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আলী ও আসিন নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। শামীম স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতেন শামীম।

নিহত শামীমের স্ত্রী শর্মী আক্তার বলেন, তাঁর স্বামী এলপি গ্যাসের ব্যবসা করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মুঠোফোনে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, তাঁর স্বামী শামীমকে রাজ্জাকের ভাঙারির দোকানে আটকে রেখে কয়েকজন মিলে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। খবর পেয়ে শর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন স্বামীর রক্তাক্ত লাশ মাটিতে পড়ে আছে। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে। কারা কী কারণে শামীমকে হত্যা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন