বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকেরা বলেছেন, আগুনে সোলাইমানের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আর সোলাইমানের স্ত্রী রীমা আক্তার (৩১) ও ছেলে মো. মাহিদের (১৩) শরীর ১৫ শতাংশ করে এবং আরেক ছেলে মো. আরশের (৩) ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধ রীমা ও মাহিদ বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। আরশকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, সোমবার ভোরে বাসায় দগ্ধ হন এই চারজন। সকালেই তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনেরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে সোলাইমান মারা যান।

সোলাইমানের চাচাতো ভাই ইউনুস বলেন, তাঁদের ধারণা বাসার সিলিন্ডার লাইন লিকেজ হয়ে রান্না ঘরে গ্যাস জমে ছিল। সেখান থেকেই আগুন লেগে তারা দগ্ধ হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন