বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঈদের আগে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ৫টি রুটে বন্ধ থাকা লঞ্চ চালুর দাবি জানিয়ে সবুজ শিকদার বলেন, ‘চলতি বছরের ২০ মার্চ নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী একটি লঞ্চ ডুবে ১০ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এর পর থেকে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ থেকে সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়। নদীপথে দুর্ঘটনা ও মানুষের প্রাণহানি হোক, সেটা আমরাও চাই না। পবিত্র রমজান শেষ পর্যায়ে। ঈদ আসন্ন। অথচ বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে হঠাৎ করে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক–কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অনাহার–অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।’

যাত্রীরা ঠিকই ছোট ছোট ট্রলারযোগে শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদী দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে বলেও মন্তব্য করেন সবুজ শিকদার। তিনি আরও বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হলে পথে যান চলাচল বন্ধ করা হয় না। সারা দেশে ৮ শতাধিক ছোট আকারের লঞ্চ চলছে। সেগুলো কিন্তু বন্ধ করা হয়নি। আমাদের দাবি, লঞ্চমালিকদের একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে লঞ্চগুলোর আকার বড় করে চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক। এতে শ্রমিক–কর্মচারীরাও কাজে ফিরতে পারবেন। যাত্রীরাও স্বল্প খরচে চলাচল করতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে শ্রমিক–কর্মচারীরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২০ মার্চ নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজ এমভি রূপসী-৯–এর ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এম এল আফসারউদ্দিন ডুবে ১০ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ৭ রুটে ৭০টি যাত্রীবাহী ‘সানকেন ডেক’ লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ। রুটগুলো হলো নারায়ণগঞ্জ-হোমনা উত্তর থানা, নারায়ণগঞ্জ-মতলব থানা, নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ-শরিয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-তালতলা ও নারায়ণগঞ্জ-বাঞ্ছারামপুর। তবে তালতলা ও বাঞ্ছারামপুর রুটে নাব্যতার কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ রুটে সি ট্রাক ও নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর রুটে বড় কয়েকটি লঞ্চ চালু করে বিআইডব্লিউটিএ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন