বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৫ এপ্রিল ওই নারী ফুটবলার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২২ এপ্রিল ছাত্রলীগের নেতা ওয়াহিদুল ওই নারী ফুটবলারকে মুঠোফোনে কল করে একটি উপবৃত্তির ফরমে স্বাক্ষর দিয়ে যেতে বলেন। ওই নারী ওয়াহিদুলের কথামতো নিজ কলেজে যান। সেখানে যাওয়ার পর তাঁকে ওয়াহিদুল একটি পুরোনো ভবনের পেছন দিকের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

পরে পুলিশ ওয়াহিদুল আলম ফকিরকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। মামলাটি এখন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে। তবে প্রথমে লোকলজ্জা ও মানসম্মানের কথা ভেবে ওই নারী ধর্ষণের বিষয়টি মামলায় উল্লেখ করেননি। তখন এজাহারে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছিল। পরে ওই নারী ফুটবলার পুলিশকে বিষয়টি জানালে ধর্ষণের বিষয়টি মামলার এজাহারের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান এর আগে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, নারী ফুটবলার বাদী হয়ে ২৫ এপ্রিল ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করেছিলেন। পরে তিনি পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করায় তাঁর নতুন অভিযোগটি ওই মামলার সঙ্গে যুক্ত করে তদন্ত করা হচ্ছে। ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর ওই নারী ফুটবলারের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন