বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও চার লেন প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে বংশাই রোডের মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বটতলা পর্যন্ত ১০০ মিটার রাস্তা কোমরপানিতে ডুবে যায়। এতে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ অবস্থায় চার লেন প্রকল্প থেকে বংশাই রোডের ৯০ মিটার রাস্তা উঁচু করে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে মেরামত করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পানিনিষ্কাশনের জন্য বাইপাসের উত্তর পাশ থেকে পোস্টকামুরী মাঝিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের নালার নির্মাণকাজ শুরু হয়। নালা নির্মাণ করতে গত শুক্রবার মাটি কাটা শুরু হয়।

চার লেন প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, নালার নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে কর্মীরা খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে নিতে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী, নালা নির্মাণের জন্য মাটি কাটার সময় একটি খুঁটির কাছ থেকে মাটি সরিয়ে নিলে অপর খুঁটি থেকে মাটি পরে সরানো হয়। কিন্তু ওই স্থানে তা করা হয়নি। সড়কের পাশের সব কটি বিদ্যুতের খুঁটির পাশ থেকে একসঙ্গে মাটি কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে শনিবার রাত ১টার দিকে বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের ৪টি খুঁটি প্রথমে একত্রে হেলে পড়ে। পরে আরও চারটি খুঁটি হেলে যায়। এর মধ্যে তিনটি ভেঙে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা আসলাম মিয়া বলেন, রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে তাঁর ঘুম ভাঙে। তখন বিদ্যুৎ চলে যায়। তাঁরা ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানতে পারেন।

মির্জাপুর পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. জাকির হোসেনের মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি।

টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মো. আবু হানিফ মিয়া জানান, দুর্ঘটনার পর বিকল্প ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হয়েছে। কয়েকটি দোকানে বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

মুঠোফোনে মির্জাপুরের কুর্ণী থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বরকত মো. খুরশিদ আলম বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করতে তাঁরা সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছেন। গতকাল রোববার থেকে ওই স্থানে রড বিছিয়ে ঢালাই করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন