default-image

শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত এক কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকেরা আরেক পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রোববার দুপুরে হামলায় পাঁচটি বাড়ি ভাঙচুর ও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাউন্সিলর প্রার্থী আজাহার উদ্দিন বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা করেছেন। মামলায় পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ ১৫–২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য আজাহার উদ্দিন, শফিকুল ইসলামসহ চার প্রার্থী নির্বাচন করেন। গত শনিবার সর্বোচ্চ ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত হন। আজাহার ২৪০ ভোট ও শফিকুল ২৩৯ ভোট পান। শফিকুল পরাজয়ের জন্য আজাহারকে দায়ী করেন। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের নদীর পাড় এলাকায় শফিকুলসহ তাঁর ১৫-২০ জন সমর্থক  লাঠি, দা নিয়ে আজাহারের বাড়ি, তাঁর শ্বশুর প্রয়াত আবদুল হাই, স্ত্রীর বড় ভাই ফজল মিয়া ও তাঁদের আত্মীয় সোহেল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় বাড়িঘরের আসবারও ভাঙচুর করা হয়।

বিজ্ঞাপন

হামলার ঘটনা বুঝতে পেরে আজাহারের স্ত্রী হালিমা বেগম তাঁর স্বামীকে ঘরে রেখে বাইরে তালা বন্ধ করে রাখেন। এ সময় হামলায় বাধা দেওয়ায় হালিমা বেগম, তাঁদের কলেজপড়ুয়া মেয়ে আনিকা বেগম, আজমিরা বেগম, আজারের বড় বোন আমেলা খাতুন, তাঁর মেয়ে আলেমন খাতুন ও ছেলে আমানুলকে মারধর করা হয়। এলাকাবাসী ও আত্মীয়স্বজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে সাবেক কাউন্সিলর আজাহার উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শফিকুল পরাজিত হওয়ায় তাঁর (আজাহার) বাড়িসহ চারটি বাড়িতে দা, লাঠি নিয়ে হামলা করেন। এতে তাঁর স্ত্রী, সন্তানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে। তিনি এর বিচার চান।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন