বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেরপুরের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শাহীন কবির আজ দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর হাতির শাবকটিকে একটি ট্রাকে করে নালিতাবাড়ী থেকে গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আজ ভোরে পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে শাবকটিকে হস্তান্তর করা হয়।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শাহীন কবির আরও জানান, গত সোমবার নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী বনকুড়া গ্রাম থেকে হাতির শাবকটিকে উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এ সময় হাতিটির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বনকুড়া গ্রামের মো. আবদুর রউফ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম বাদী হয়ে আবদুর রউফ ও আবদুল করিমের বিরুদ্ধে লাইসেন্স ব্যতীত হাতির শাবকটিকে নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তার আবদুর রউফ বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি গ্রামের আবদুল করিমের কাছ থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলার বনকুড়া গ্রামের আবদুর রউফ ছয় বছর বয়সী একটি হাতির শাবক তাঁর (রউফ) বাড়িতে নিয়ে আসেন। শাবকটি এলাকায় এনে বাজারে বাজারে গিয়ে চাঁদা তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় স্থানীয় একজন ব্যক্তি হাতির ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি বন বিভাগের নজরে আসার পর গত সোমবার জেলা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা সুমন সরকার ও সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম, মধুটিলা ইকোপার্কের রেঞ্জার আবদুল করিমসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা হাতির শাবকটিকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে গত মঙ্গল ও বুধবার প্রথম আলোর অনলাইন ও ছাপা সংস্করণে ‘নালিতাবাড়ী সীমান্তে লাইসেন্সবিহীন হাতি নিয়ে গ্রেপ্তার ১’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন