এ ঘটনায় তৎকালীন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সলিমুল্লাহ সেলিমসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে নাশকতার মামলা করেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম। পরবর্তী সময়ে আসামিরা জামিনে মুক্তি পান।

শেখ ফরিদের আইনজীবী মোস্তফা কামাল বলেন, ওই নাশকতার মামলায় প্রথমে বিএনপির নেতা শেখ ফরিদের নাম ছিল না। পরবর্তী সময়ে আসামির তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আজ আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা না মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান।