বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় ধাপে গতকাল উপজেলার ১৩টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ হয়। ১৩ ইউপির মধ্যে ৫ ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, ৩ ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বাকি ৪ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। গতকাল দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গতকাল বিকেলে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ফলাফল নিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা উপজেলা পরিষদের হলরুমের নিয়ন্ত্রণকক্ষে জড়ো হতে শুরু করেন।

বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হামিদ দাবি করেন, চাপরতলা ইউপির নয়টি কেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ৬০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলা সদরের মিলনায়তনের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে চাপরতলায় নৌকার প্রার্থী বিজয়ী বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
এদিকে ফলাফল ঘোষণা পরপরই হলরুমের বাইরে থাকা মনসুর আলী ভূঁইয়া ও আবদুল হামিদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘৯টি কেন্দ্রের মোট ফলাফলে আমি ৩ হাজার ১৬ ভোট পেয়েছি। কিন্তু উপজেলা পরিষদের হলরুমে ফলাফল পরিবর্তন করে আমার ভোট কমিয়ে ২ হাজার ৯০৭ বলা হয়। আমার চেয়ে নৌকার প্রার্থীর ১৭ ভোট বেশি, অর্থাৎ ২ হাজার ৯২৪ ভোট দেখিয়ে নৌকাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।’

আবদুল হামিদ আরও বলেন, ইউনিয়নের কামরুজ্জামান উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি ২২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়েজ উদ্দিন ভূঁইয়া ৯০০ ভোট ও নৌকার প্রার্থী ১৭৬ ভোট পেয়েছিলেন। কিন্তু উপজেলার হলরুম থেকে ঘোষণায় নৌকার ভোট ১৭৬-এর পরিবর্তে ২০০ ও ফয়েজ উদ্দিনের ৯০০ ভোটের পরিবর্তে ৬০০ ভোট দেখানো হয়। ওই কেন্দ্রে নৌকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের কারণে তিনি কোনো এজেন্ট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ প্রসঙ্গে চাপরতলাসহ তিন ইউপির রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা প্রার্থীর এজেন্টদের স্বাক্ষরসহ যে ফলাফল দেন, সেটিই ঘোষণা করা হয়। প্রার্থী আবদুল হামিদ একটি কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পারেননি বিষয়টি জানানো হলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। কিন্তু ওই প্রার্থী তেমন কিছু জানাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন