বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহতের পরিবার জানায়, স্থানীয় ঠিকাদার মো. জুলহাসের তত্ত্বাবধানে কবির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে নালা নির্মাণের কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে কাজে যান। কাজ শেষে বিকেল চারটার দিকে কবিরের সেখান থেকে বের হওয়ার কথা ছিল। তবে বিকেল থেকে কবিরের মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ ছিল। ওই রাতে তিনি বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার পরিবারের পক্ষ থেকে পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

পুলিশ জানায়, আজ দুপুরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক কর্মকর্তা গাছের নিচে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। নিহতের ডান হাতের কবজি ভাঙা ছিল বলে জানা গেছে। পরে কবিরের স্ত্রী শিমুলী বেগম ঘটনাস্থলে এসে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেন। পরে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

শিমুলী বেগম বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকায় তাঁরা ভেতরে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেননি। কবির প্রতিদিনই কাজ শেষে ছাগলকে খাওয়ানোর জন্য কাঁঠালপাতা নিয়ে আসতেন। ওই কাঁঠালগাছ থেকে পাতা পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।

শিমুলী বেগম বলেন, ‘বিষয়টি দুর্ঘটনা মনে হওয়ায় আমাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। আমরা চেয়েছিলাম ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হোক। কিন্তু পুলিশ এরই মধ্যে লাশ মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে।’

জানতে চাইলে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাছ থেকে পড়ে কবিরের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেল থেকে কবিরের মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ ছিল। তাই এটা দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা, সেটা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন