বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে লঞ্চে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে শতাধিক যাত্রী দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। বৃদ্ধ, শিশুসহ অনেকে নিখোঁজ। লঞ্চে আট শতাধিক যাত্রী ছিল।

বরগুনা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ বলেন, লঞ্চটিতে সব বয়সের প্রায় ৩০০-৪০০ জন যাত্রী ছিল। তাদের উদ্ধারে বরিশাল নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী বলেন, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। পরে লঞ্চটি নদীর তীরের দিয়াকুল গ্রাম এলাকায় ভেড়ানো হয়।
বরগুনা সদর উপজেলা বুড়িরচর ইউনিয়নের রায়তাবক গ্রামের বাসিন্দা রিজিয়া বলেন, ‘আমার ছেলে এই লঞ্চে যাত্রী ছিল, রাতে কথা হয়েছে, এখন আর কোনো খবর নাই। আমার ছেলের ভাগ্যে কী হয়েছে আমি জানি না।’

নদীতে লাফ দিয়ে বেঁচে যাওয়া ছগীর হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে আছি। অনেক যাত্রী নদীতে লাফ দিয়েছেন, তবে অনেকেই তীরে উঠতে পারেননি।’

বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে সরকারি সহায়তা হিসেবে ২৫ হাজার ও আহত চিকিৎসাধীন যাত্রীদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। নিহত ব্যক্তিদের সঠিক সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য আমাদের দুজন ম্যাজিস্ট্রেট বরিশাল ও ঝালকাঠিতে রয়েছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন