বিজ্ঞাপন

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় মান্নানকে পাশের গ্রামের কাজল মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া বেড়ানোর কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। ওই দিন রাত ১১টার দিকে লিটন একাই তাঁর বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের বলেন, মান্নানকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ করেন। তাঁকে না পেয়ে পরদিন মঙ্গলবার বেলাব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন দুলা মিয়া।

বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের আড়িয়াল খাঁ নদে আবদুল মান্নানের লাশ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই লাশ উদ্ধার করে বেলাব ও মনোহরদী থানা পুলিশ। পরে নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা ওই লাশ মান্নানের বলে শনাক্ত করেন। পরে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মান্নানের ভাই আবদুল হান্নান বলেন, ‘লিটন মিয়া নামের ওই যুবক সোমবার সন্ধ্যায় আমার ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। শুনেছি, আমার ভাইয়ের সঙ্গে তার একটি টিউশনি নিয়ে বড় রকমের ঝামেলা হয়েছিল। আমাদের ধারণা, লিটনই আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

জানতে চাইলে বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাফায়েত হোসেন জানান, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিটন নামের একজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা ওই স্কুল শিক্ষকের মৃত্যুরহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন