default-image

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় নিখোঁজের ছয় দিন পর তরুণকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাতটার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর জলকপাট এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ওই তরুণের নাম মো. রায়হান (২২)। তিনি মহিপুর ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের ভাড়াটে মোটরসাইকেলচালক ও শুঁটকি ব্যবসায়ী। মহিপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে রায়হান। এ ঘটনায় কাশেম মিয়া মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

কাশেম মিয়া অভিযোগে বলেন, উপজেলার লতাচাপলীর ফাঁসিপাড়া গ্রামের নেছার শিকদারের ছেলে ইমাম শিকদারের নেতৃত্বে চার-পাঁচজন রায়হানকে কোথাও আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় ইমাম, মসিউর, ইমরান, বিপ্লব শীল জড়িত। ইমাম শিকদার মুঠোফোনে তাঁকে (কাশেম) হুমকিও দিয়েছেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আজ বুধবার ফজরের নামাজের পর রায়হানকে কুয়াকাটার পাশে লেম্বুর চর এলাকায় বালুর ট্রলার থেকে নামানো হয়। তখন তাঁর হাত বাঁধা ছিল। পরে তাঁকে একটি ডিঙিতে করে লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের স্লুইস এলাকায় আনা হয়। এমন পরিস্থিতি দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে জলকপাট এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে। বর্তমানে রায়হানকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়হান ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ি থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে শ্বশুরবাড়ি তালতলী রওনা হন। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ ছিল না। পরে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাঁকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫ ফেব্রুয়ারি ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক কারবারের অভিযাগে তারা একাধিকবার পুলিশের হাতে আটকও হয়েছে। তাদের নামে থানায় একাধিক মামলাও আছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন