পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল বিকেলে আবদুল্লাহ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সে পাশের একটি মসজিদে প্রায়ই ইফতার করত। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যার পরও আবদুল্লাহ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের রোকজন বিভিন্ন এলাকায় খুঁজতে থাকেন। পরে গতকাল রাতে ওই এলাকায় আবদুল্লাহ নিখোঁজের বিষয়ে মাইকিংও করা হয়। এর পর আজ সকালে ঢাকনাবিহীন ওই ট্যাংকের মুখে আবদুল্লাহর লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয় লোকজন তার বাবাকে খবর দেন। পরে তার বাবা স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে লাশ উদ্ধার করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, নির্মাণাধীন খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেটটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রায় দুই বছর মার্কেটের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। তবে নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন স্থানে খোলা সেফটিক ট্যাংক রয়েছে। আবদুল্লাহ ওই খোলা ট্যাংকের ভেতর পড়ে নিহত হয়েছে বলে তার পরিবার ধারণা করছে। আবদুল্লাহর মৃত্যুর জন্য এলাকাবাসী মার্কেট কর্তৃপক্ষের অবহেলাকেই দায়ী করছেন।

জানতে চাইলে খালিশপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল মান্নান বলেন, সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খোলা ট্যাংকের ভেতর পড়ে পানিতে ডুবে শিশুটি মারা গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন