default-image

দুর্বৃত্তের হামলার শিকার দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম নিজের নাম বলতে পারছেন। তিনি ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। তবে হামলার ঘটনা মনে করতে পারছেন না।

ইউএনও ওয়াহিদার স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে জানান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম। ঢাকার আগারগাঁওয়ের এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানম।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাপক বদরুল আলম বলেন, ‘এখন কোথায় আছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াহিদা খানম বলছেন, ‘বাসায় আছি।’ হামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কিছু মনে করতে পারছেন না।’

এর আগে হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক জাহেদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অস্ত্রোপচারের সময় ওয়াহিদা খানমের মাথায় কমপক্ষে ৯টি আঘাতের ক্ষত দেখা গেছে। মাথার খুলির যে হাড়টি ভেঙে ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল, সেটি অস্ত্রোপচারের সময় বের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে তাঁর জ্ঞান ফেরে। তিনি কথাও বলেন। তাঁর শরীরের ডান পাশ এখনো অবশ। এটি ঠিক হতে সময় লাগতে পারে।

এই হাসপাতালে ওয়াহিদা খানমের আড়াই ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচার হয় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে। এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন ছয়জন চিকিৎসক। সঙ্গে ছিলেন একজন অবেদনবিদ।

গত বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ইউএনওর সরকারি বাসায় ঢুকে ওয়াহিদা ও তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলীকে (৭০) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। আহত বাবা-মেয়েকে গতকাল সকালে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ওয়াহিদাকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়। ওয়াহিদার বাবা রংপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন