বিজ্ঞাপন

পরে নারী-শিশু-বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কে ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান গেলে ওই ছাত্রী তাঁকে বলে, সে জয়পুরহাট শহরের একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। অভিভাবকেরা তার বিয়ে ঠিক করেছে। বৃহস্পতিবার বর ও বরপক্ষের লোকজন দেখতে এসে বিয়ে করে তাকে নিয়ে যাবেন। সে বিয়ে করতে চায় না। তখন ছাত্রীর কাছ থেকে অভিভাবকের নাম-ঠিকানা নেন ওসি। পরে তিনি ওই ছাত্রীর অভিভাবকদের থানায় ডেকে আনেন। এ সময় প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ওই ছাত্রীর বিয়ে দেবেন না বলে অঙ্গীকার করেন তার মা-বাবা।

ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ যে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে তা বিট পুলিশের সভায় ওই ছাত্রী জেনেছিল। এ কারণে সে তার নিজের বিয়ে বন্ধ করতে দুই বান্ধবীকে নিয়ে থানায় এসেছিল। বৃহস্পতিবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। অভিভাবকেরা প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন