বিজ্ঞাপন

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পরে তাঁরা হরিণ দুটি নিজেদের জিম্মায় নেন। এরপর প্রয়োজনীয় পরিচর্যা শেষে বিকেলে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের কাজিরবাজার এলাকায় বন বিভাগের বনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বন বিভাগের নিঝুম দ্বীপ বিটের কর্মকর্তা মাসুদ রায়হান প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে নিঝুম দ্বীপের হরিণগুলো বেশ বিপাকে পড়ে। অধিকাংশ হরিণের আবাসস্থল ডুবে যায়। এ সময় অনেক হরিণ মানুষজনের বসত ভিটায়, সড়কে ও বনের ভেতর খনন করা পুকুরের পাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিছু হরিণ জোয়ারের পানির তোড়ে অন্য এলাকায় ভেসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করে বন বিভাগের জাহাজমারা রেঞ্জের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, নিঝুম দ্বীপে হরিণের সঠিক সংখ্যা বলা মুশকিল। তবে সেখানে পাঁচ থেকে ছয় হাজার হরিণ থাকতে পারে। অতিরিক্ত জোয়ারে এসব হরিণ কিছুটা সংকটের মধ্যে পড়ে। অবশ্য এরই মধ্যে বনের ভেতরে বেশ কয়েকটি পুকুর খনন করা হয়েছে। যাতে জোয়ারের সময় সেগুলোর পাড়ে হরিণ আশ্রয় নিতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, নিঝুম দ্বীপে কোনো বেড়িবাঁধ নেই মর্মে প্রচার করে একটি মহল সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জোরদারের পাঁয়তারা করছে। যাতে সহজে বন উজাড় করে দ্বীপটিতে বসতি বাড়ানো যায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, নিঝুম দ্বীপে হরিণের আবাস নিশ্চিত করতে বনের ভেতর পুকুর খনন করে উঁচু পাড় তৈরি করতে হবে। যাতে দুর্যোগকালে হরিণসহ অন্য বন্য প্রাণী সেখানে আশ্রয় নিতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন